"জুুজু বুড়ি আসবে" বা "কাল পার্কে নেব"—এই মিথ্যাগুলো শিশুর মন ও ঈমান ধ্বংস করে দিচ্ছে।
সামান্য মিথ্যা শিশুর মনে যে বিশাল ক্ষত তৈরি করে:
"মা বলেছিল যাবে না, কিন্তু চলে গেল"—এতে শিশুর 'Secure Attachment' ভেঙে যায় এবং বিচ্ছেদ ভীতি তৈরি হয়।
বাবা মিথ্যা বলে, কিন্তু আমাকে সত্য বলতে বলে। এই দ্বিমুখী আচরণ শিশুর নৈতিক কম্পাস নষ্ট করে দেয়।
মিথ্যা বলাকে তারা সমস্যা সমাধানের শর্টকাট মনে করে। বড় হয়ে তারা বিশ্বাসভঙ্গকারী ও আগ্রাসী হয়।
"জুুজু বুড়ি" বা "পুলিশ" এর ভয় শিশুর কল্পনাশক্তি নষ্ট করে এবং কর্তৃপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ তৈরি করে।
সত্যই মুক্তি, মিথ্যা ধ্বংস
রাসুল (সা.) এক মাকে বলেছিলেন, "তুমি যদি শিশুকে ডাকার জন্য খেজুর দেওয়ার ভান করে কিছু না দিতে, তবে তা মিথ্যা হিসেবে লেখা হতো।"
শিশুকে ভুত বা পুলিশের ভয় দেখানো তার তাওহীদ দুর্বল করে। তাকে একমাত্র আল্লাহর ভয় শেখান।
"মুনাফিকের আলামত তিনটি: মিথ্যা বলা, ওয়াদা ভঙ্গ করা, খিয়ানত করা।" সন্তানের সাথে মিথ্যা ওয়াদা করাও এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
পরিস্থিতি সামলানোর সঠিক উপায়
রাগের মাথায় মিথ্যা বলে ফেললে বা ওয়াদা রাখতে না পারলে ক্ষমা চান।
"বাবা/মা দুঃখিত। আমি পার্কে নেওয়ার কথা দিয়েছিলাম কিন্তু কাজের চাপে পারিনি। আমার উচিত ছিল তোমাকে জানানো। আমরা কি কাল যেতে পারি?"
এটি সন্তানের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনে এবং তাদেরও ক্ষমা চাইতে শেখায়।